গ্রামীণ কৃষি ডেস্কঃ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জানাজাচ্ছে এখন পর্যন্ত দশ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসনের ঘাটতি আছে। এ অবস্থায় সরকার অন্য সোর্স থেকে ভ্যাকসিন কেনার চেস্টা করছেন। একাধিক উৎস থেকে ভ্যাকসিন কেনার তৎপরতা অব্যাহত রাখা ভাল। তবে যাদেরকে প্রথম ডোজে এস্ট্রজেনিকার টিকা দেয়া হয়েছে তাদেরকে অবশ্যই ২য় ডোজে ঔ টিকাটিই দিতে হবে। আর সেটা দিতে হবে সর্বোচ্চ ১২ সপ্তাহের মধ্যেই। যাদেরকে এখনও প্রথম ডোজ দেয়া হচ্ছে তাদের জন্য কি পরবর্তী ১২ সপ্তাহের মধ্যে ২য় ডোজের টিকার ব্যবস্থা করা যাবে? সূতরাং যেভাবেই হোক এখন সিরাম ইন্সটিটিউট থেকে ঘাটতি পূরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। তিস্তার পানি মমতার আপত্তির কারণে পাওয়া যাচ্ছেনা। সিরামের ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য মমতা নিশ্চয়ই বাঁধা নয়। এখানে দুটি দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীদের হস্তক্ষেপই যথেষ্ট বলে মনে করছি। তাই এনিয়ে আর সময় নস্ট নাকরে বিষয়টি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্তদেরকে অনুরোধ করছি। সকলের জন্য যথা সময়ে ২য় ডোজ নিশ্চিত করা না গেলে সরকারকে কঠোর সমালোচনায় পরতে হবে।
জামাল উদ্দিন বিশ্বাস’র ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত
[লেখকঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদ]
