মোহাম্মদ সাইকুল ইসলাম (মন্ট্রিল,কানাডা)
পশ্চিমা বিশ্বের চোখে বাংলাদেশ হলো এখন দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলা একটি মিসাইল। সারাবিশ্ব যেখানে করোনায় ধুঁকছে সেখানে চীনের পরেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন দুর্দান্ত গতিতে সামনে এগোচ্ছে।
আজকাল ওয়াশিংটন পোস্ট, ব্লুমবার্গ ডট কম এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক জার্নালেও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্থান নিয়ে বড় বড় কলাম ছাপা হয়?
ব্লুমবার্গ ডট কমের গত সপ্তাহের একটি বিশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে চীনের পরে আমেরিকাকে ভারত নিয়ে নয় বরং বাংলাদেশকে নিয়েই ভাবা উচিত। কারন বাংলাদেশের বিশাল যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারলে ওদের কাছ থেকে দীর্ঘসময় কাঙ্খিত উৎপাদন আশা করা যাবে।
আর ভারত? আজ চীন যেভাবে পশ্চিমা টেকনোলজি হস্তগত করে আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখাচ্ছে কাল ভারতও সে পথে হাঁটতে পারে। সুতরাং ভারতের দিকে না এগিয়ে বাংলাদেশের দিকে এগোনর উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ছোট ও নিরীহ বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তিত করলে এই দেশটি পশ্চিমাদের জন্য কখনও প্রতিরক্ষামুলক থ্রেটের কারন হয়ে দাঁড়াবে না।
বাংলাদেশের অর্থনীতি কিন্তু এই বৈশ্বিক দুর্দিনে হুহু করে সামনে এগোচ্ছে। কারন এই দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনেই দেশটি দ্রুত সবদিকে অর্থনীতির আঁকার বড় করছে।
এছাড়া এখন সীমিত আকারে এই দেশটিতে টেকনোলজি স্থানান্তরিত হচ্ছে। এছাড়া যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই দেশটি খুব শীঘ্র বড় বড় মহাসড়কের আওতায় একই প্লাটফর্মে চলে আসবে। এটি বৈদেশীক বানিজ্যের ক্ষেত্রে এক নাম্বার সহায়ক হবে বলে তাদের ধারনা।
আশা করি জিডিপির দিক দিয়ে বাংলাদেশ এ বছরই ভারতকে পিছনে ফেলে দেবে। এরপর আমাদের পথচলা শুরু হবে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, দক্ষিন কোরিয়া এবং জাপানকে ছোঁয়ার। এমনও দিন হয়ত আর বেশী দূরে নয় যেদিন আপনি ইউরোপ-আমেরিকার দামি দামি মোবাইল শপে মোবাইল কিনতে গিয়ে দেখবেন মোবাইলগুলোর ব্যাক কাভারে লিখা- মেইড ইন বাংলাদেশ।
সুতরাং ভাল থাকুক প্রিয় বাংলাদেশ, আরও দূরে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ এবং উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে ওঠোক আমার প্রিয় বাংলাদেশ।
**মতামতের জন্য সম্পাদক / প্রকাশক দায়ী নয়
