গ্রামীণ কৃষি ডেস্কঃ শিগগিরই সুন্দর ব্যবস্থাপনায় সিসি ক্যামেরা, বাউন্ডারি দেয়াল ও নিরাপত্তাসহ ৮টি পার্ক শিশুদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এ পার্কগুলোতে পথশিশুরাও যাতে একটি নির্দিষ্ট সময় খেলাধুলা করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে।
ইতোমধ্যে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ১৪টি পার্কে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামসহ শিশু কর্নার করে দেওয়া হচ্ছে। রোববার দুপুর ১২টায় রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে জাতীয় শিশু অধিকার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তারাই আগামী দিনের সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবে, জ্ঞান চর্চা ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে তুলবে সবার জন্য কল্যাণকর নতুন বিশ্ব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন আইন, নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। সরকারের পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মেয়র বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে শূন্য থেকে দুই বছর বয়সি সব শিশুকে জন্ম সনদের সঙ্গে একটি করে গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়। শিশুদের খেলাধুলার জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডেই প্রতি মাসে কমপক্ষে ১ দিন একটি রাস্তাকে গাড়িমুক্ত রাখা হবে।
আতিকুল ইসলাম বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন সনদ প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করার জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। খাল-বিল, নদী-নালা দখলসহ নির্বিচারে গাছপালা কেটে ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
সবাই মিলে সবার ঢাকাকে দখল ও দূষণমুক্ত করে সুস্থ, সচল ও আধুনিক ঢাকায় পরিণত করতে আহ্বানও জানান তিনি। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জাতীয় পরিচালক সুরেশ বার্টলেটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শবনব জাহান শীলা এমপি, সংসদ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য নাহিদ ইজাহার খান এমপি, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান।
