রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দার ভারশোঁ ইউপির চৌবাড়িয়া হাটের প্রবেশদ্বারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে প্রায় কোটি টাকা মুল্যর সরকারি সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ স্থাপনার কারণে হাটের সুন্দৌর্য নষ্ট, কমিটির অফিস পশুবাহি যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা, গাড়ি রাখার সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এক কথায় বললে এটা চৌবাড়িয়াসহ ভারশোঁবাসীর কাছে বিঁষফোঁড়া হয়ে উঠেছে, অপসারণ ব্যতিত বিকল্প নাই। অথচ ভারশোঁ ইউপিসহ মান্দা উপজেলার উন্নয়নের চালিকা শক্তি চৌবাড়িয়া হাট। অন্যদিকে ইউপিবাসী বলছে, কোনো ভুমিদস্যুর কারণে এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত তারা মেনে নিবেন না, অবৈধ ঘর উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনে তারা আন্দোলন কর্মসুচি দিবেন।এদিকে গত ১১ মার্চ শুক্রবার মান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) চৌবাড়িয়া হাট পরিদর্শন করে আতাউর রহমানের অবৈধ এই স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলেছেন। কিন্ত্ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফের ঘরের সংস্কার কাজ করে অবৈধ স্থাপনা রক্ষায় উচ্চ আদালতে যাবার প্রস্তুত্তি নিচ্ছে। এনিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, প্রতিনিয়ত বাড়ছে ক্ষোভের মাত্রা। স্থানীয়রা জানান, ভারশোঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি (বহিস্কৃত) আলতাজ উদ্দিনের ছেট ভাই আতাউর রহমান হাটের প্রায় কোটি টাকা মুল্যের সরকারি সম্পত্তি জবরদখল করে মেসার্স আশা টেড্রার্স সার ও কীটনাশক ব্যবসা করছেন। অথচ ভুমিহীন হতদরিদ্ররা ক্ষুদ্র ব্যবসার করতে একখন্ড জায়গার জন্য বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ণা দিয়েও একখন্ড জায়গা পায়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে আতাউর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা এখানে অনেক আগে থেকেই ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, দাগ নং ৪৩৭, খতিয়ান নম্বর ৭৬ এবং পরিমাণ দৈর্ঘ ৩৬ ফিট প্রস্ত ১২ ফিট এই জায়গা তার পরিবারের তিন সদস্যর নামে লিজ গ্রহণের আবেদন করা আছে এবং আদালত থেকে তাদের ডিসিআর কাটার আদেশ দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এবিষয়ে ভারশোঁ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, আতাউর রহমানের অবৈধ ঘর নিয়ে ব্যবসায়ীরা তার কাছে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, উপজেলার মাসিক সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার বলেন, আতাউর রহমানকে ঘরের সংস্কার কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্ত্ত সেই নির্দেশনা অমান্য করে ঘর মেরামত করেছে। এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) বলেন, নতুন করা হচ্ছে পরিকল্পনা মাফিক, তায় এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিকল্প নাই।
গ্রামীণ কৃষি/ আলিফ হোসেন
