- বিজ্ঞাপন -
হোম সারা বাংলাখাগড়াছড়ির গুইমারায় অমৌসুমে শিম চাষে সফলতায় কৃষকের মুখে হাসি

খাগড়াছড়ির গুইমারায় অমৌসুমে শিম চাষে সফলতায় কৃষকের মুখে হাসি

খাগড়াছড়িঃ অসময়ে শিম চাষে চাষিরা সফলতার স্বপ্নে বিভোর। মাঠের পর মাঠ জুড়ে শিম ক্ষেত। শিমের সবুজ ক্ষেতে নতুন ফোটা সাদা ও বেগুনি ফুলে এক অপরূপ সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়েছে। সাথে ছড়ায় ছড়ায় ঝুলছে শিম। চোখে পড়ার মতো এমন দৃশ্য এখন খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার ৩নং হাফছড়ি ইউনিয়নের বড়পিলাক এলাকার টিলা ভূমিতে।শিম শীতকালীন সবজি হলেও পাহাড়ি টিলা ভূমিতে চাষ হওয়া শিম চাষে ভালো ফলন ও মূল্য পাচ্ছেন কৃষকেরা।

কৃষকরা জানান, এ শিম গাছ বৃষ্টি সহিঞ্চু। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি শিম ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসেবে এবার প্রতি বিঘায় খরচ বাদে তারা প্রায় লাখ টাকা আয় করবেন বলে শিম চাষী কৃষকরা আশা করছেন। গুইমারা উপজেলার ৩নং হাফছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব বড়পিলাক গ্রামের পাহাড়ে টিলায় গিয়ে দেখা যায়, অনেক কৃষকই তাদের ক্ষেতে অসময়ের শিমের চাষ করেছেন।

গ্রামের সবজি চাষী মো. হাসান জানান, শিম সাধারণত শীতকালীন সবজি। এর আগে বর্ষাকালে চাষ হত না। কিন্তু ভিন্ন জাতের এ শিম এখন বারো মাস চাষ করা যায়। তিনি এবার চার বিঘা জমিতে এ ভিন্ন জাতের শিম চাষ করছেন। তার মতে তাদের গ্রামের কৃষক মো. আলমগীর, শাহ পরান, মো. বেলাল, আব্দুল জলিল, মনির হোসেন, আব্দুর সবুর, আনোয়ার হোসেন, বেল্লালসহ অনেক কৃষক প্রায় ১৬ হেক্টোর জমিতে গ্রীষ্মকালীন এ জাতের শিম চাষ করছেন।

শিম চাষী মো. বেল্লাল জানান, অসময়ের আবাদ করা এ শিম নতুন সবজি হিসেবে বাজারে বেশ চাহিদা। দামও বেশি থাকে। ক্ষেতেও ভালো ফলন হচ্ছে। তারা জানান, প্রতি বিঘা শিম চাষে বীজ, সার, কীটনাশক, মাচার দেয়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। বৈশাখ মাসের প্রথম দিকে এ শিমের বীজ বপন করতে হয়। পরবর্তীতে চারা গজানোর ২৫ থেকে ৩০ দিনের মাথায় ফুল আসে। এরপর দেড় মাস পর থেকেই শিম তোলা শুরু হয়। একটানা ৬ মাস পর্ষন্ত ক্ষেত থেকে শিম উঠানো যায়।

গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসার ওঙ্কার বিশ্বাস জানান, এ বছর উপজেলার কৃষকরা ১৬ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন শিমের চাষ করেছেন। অসময়ের শিম হওয়ায় দামও ভালো পাচ্ছেন। ফলে কৃষকেরা দিন দিন শিম চাষে ঝুঁকছেন।

গ্রামীণ কৃষি / এম.জুলফিকার আলী ভুট্টো

আপনার মতামত দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Most Popular