গ্রামীণ কৃষি ডেস্কঃ যারা জ্বালাও-পোড়াও করে, গুজব ছড়িয়ে ধর্মের নামে অপরাজনীতি করে এবং তাদের অর্থদাতা, মদদদাতা, পৃষ্ঠপোষকতাকারী সবাইকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও কাউন্সিলর এবং কে পি ঘোষ স্ট্রিট উত্তর পঞ্চায়েত কমিটির উদ্যোগে হাজী জুম্মন কমিউনিটি সেন্টার, বংশালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ৫০০ জন হত দরিদ্রের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, মানুষকে বিপদে ফেলে বিএনপি-জামাত-হেফাজত রাজনীতি করে। তারা মানুষের প্রয়োজনে, দেশের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ায় না। তারা দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছিলো। তারা ধর্মীয় উগ্রবাদকে উষ্কে দেয়।
তিনি বলেন, তারা নিজেরা অপরাজনীতি করে, অপরাজনীতি যারা করতে চায় তাদের সহায়তা করা। এরা মসজিদকে ব্যবহার করে, ধর্মকে ব্যবহার করে ফায়দা লুটতে চায়। এই অপরাজনীতিবিদদের সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে যারা মেনে নিতে পারে না তারা নানা অপশক্তি থেকে অর্থ নেয়, কুপরামর্শ নেয়। আমরা এদের আশ্রয়দাতা, পৃষ্ঠপোষকদের হুশিয়ার করতে চাই। যারা এদের পৃষ্ঠপোষকতা করে, অর্থ দিয়ে পাশে দাঁড়ায় তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। অপরাজনীতিবিদদের সহায়তাকারী, পৃষ্ঠপোষক, মদদদাতাদেরও ছাড়া হবে না।
বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ, মানবিক কারণে শেখ হাসিনা তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছিলেন। আইনে না থাকায় তার বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া যায়নি। বিদেশে চিকিৎসার এখন একটাই সুযোগ আছে, আদালত যদি সুযোগ দেয়। আমরা তার সর্বোচ্চ চিকিৎসা চাই। আমি মনে করি দেশেই সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি।
তিনি বলেন, সারাবিশ্ব করোনায় বিপর্যস্ত, আমরাও তার বাইরে নই। যতদিন দুর্যোগ থাকবে ততদিন আওয়ামী লীগের ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, ৩২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম এ মান্নান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি কাজী শহীদুল্লাহ লিটন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন, সাধারণ সম্পাদক তারিক সাইদ প্রমুখ।
