গ্রামীণ কৃষি ডেস্কঃ চাল-ডাল যে অনলাইনে কেনা যায়, তা এ করোনাকাল শিখিয়ে দিল দেশের মানুষকে। এখন অনেকেই অনলাইনে কাঁচাবাজারও সারছেন। ইলেক্ট্রনিকস পণ্য, পোশাক, গৃহস্থালির বিভিন্ন সরঞ্জাম অনলাইনে কেনার প্রবণতা আগেই ছিল। এখন করোনার কারণে ঈদকে কেন্দ্র করে তা আরো গতি পেয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে কেনাকাটার সুবিধার পাশাপাশি ই-কমার্স সাইটগুলো অনলাইন কেনাকাটায় বিশেষ মূল্যছাড়সহ দিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের অফার। তবে নগর জীবনের ব্যস্ততা, যানজট আর নানা ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে অনলাইন কেনাকাটাতেই ঝুঁকছে মানুষ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষিত তরুণদের পাশাপাশি কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য এখন কেনাকাটার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে ই-কমার্স সাইটগুলো। ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে ই-কমার্সের জোয়ার এখন চোখে পড়ার বিশাল ব্যাপার। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টার সফলতা হিসেবে যোগাযোগ প্রযুক্তি এখন শুধু বড় শহর নয়, বরং ছোট শহর এমনকি, গ্রামে-গঞ্জের মানুষের হাতে হাতে পৌঁছে গেছে। আর এর কল্যাণে ই-কমার্স তথা অনলাইনে কেনাকাটার প্রবণতাও ছড়িয়ে গেছে সবখানে। যোগাযোগ প্রযুক্তির সহজলভ্যতার সুযোগ নিয়ে মফস্বল থেকেও নিত্যনতুন পণ্য দিনে এখন অনেক উদ্যোক্তা যুক্ত হচ্ছেন ই-কমার্সের সাথে।
ই-কমার্স সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গতবছরের তুলনায় এবছর তাদের ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে। কেনাবেচার জন্য নির্দিষ্ট সাইটগুলোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও জমে উঠেছে এ কেনাবেচা। বিশেষ করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা হচ্ছে পেজ। আর তা থেকেই ক্রেতারা খুঁজে নিচ্ছেন পছন্দের পণ্য। উদ্যোক্তাদের মতে, নতুনদের পাশাপাশি বিশ্বের বড় মাপের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন তাদের পণ্যের প্রচারে ব্যবহার করছে ফেইসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। অল্প পুঁজিতে, এমনকি বিনা পুঁজিতে এ ব্যবসা করা যায়। ঘরে বসেই ব্যবসা পরিচালনা করা যায়। তাই নতুন উদ্যোক্তাদের কাছে এ মাধ্যমটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পাচ্ছে সাধারণ মানুষ। দিন যত যাবে, এর পরিধিও তত বাড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
