ইজাজ আহমেদঃ উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠা রায়হান। ঢাকায় শুরু করে পোশাক শিল্প সম্পর্কিত ক্ষুদ্র ব্যাবসা। প্রতিযোগিতার বাজারে ধৈর্য ধরে টিকে থাকলেও লাভের অংশ পরিশ্রমের তুলনায় খুবই নগন্য। ছোট বেলা থেকেই রায়হানের ইচ্ছে উদ্যোক্তা হবে। তার পোশাক শিল্পের অনিশ্চিত ভবিষ্যত এর কথা চিন্তা করে মাটির টানে ফিরে যায় পৈতৃক নিবাস সরিষাবাড়ী উপজেলার হাটবাড়ী গ্রামে।
শিল্পখাত থেকে শিখে আসা ব্যবসায়িক অনুশীলন এবং পৈতৃক ফসলি জমিকে আরো অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধনের জন্য ধান উৎপাদনশীল জমিতে স্থানীয় পশু ও মৎস্য অধিদপ্তরের পরামর্শ এবং ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে মোট ২০বিঘা জমিতে খনন করে ৩টি মৎস্য পুকুর, ১টি গরুর ও ৪৫০০ লেয়ার মুরগির ২টি শেড। যা থেকে রায়হানের বর্তমানে মাসিক আয় প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

রায়হান গ্রামীণ কৃষি’কে জানায়, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যাবহারের মাধমে কৃষি খাতে আয় বাড়ানো সম্ভব। ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাদি জমির পরিমান হ্রাস হওয়ার কারণে কৃষি উদ্যোক্তাদের কিভাবে অল্প যায়গায় অধিক ফসল নিশ্চিত করা যায় সে কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। যুগপোযুগি পদক্ষেপ, ধৈর্য এবং কাজের প্রতি ভালোবাসার মাধ্যমে কৃষির শিল্পায়নে অল্প পুজিতে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।
