নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঝিনাইদহ জেলার কৃতি বাংলাদেশ পুলিশের একজন চৌকস মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা রমনা বিভাগের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান। বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা, সুনাম প্রতিনিয়ত বেড়ে যাচ্ছে। যিনি তার দায়িত্বের জায়গা থেকে রমনা বিভাগের পুলিশ বাহিনীর জন্য সর্বোচ্চভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
সেবার মানসিকতা নিয়ে আত্নমানবতার সেবায় সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। কঠোর লকডাউনে রমনা বিভাগের আওতাধীন এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে নিজ উদ্যাগে অসহায় হতদরিদ্র ছিন্নমূল, পথশিশু, সুবিধাবঞ্চিত ও দিনমজুরসহ ক্ষুধার্তদের মাঝে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাদ্য বিতরণ করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের ডিসি সাজ্জাদুর রহমান ।
সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে প্রতিদিন দুপুর ১২ ঘটিকার সময় রাজধানীর পরীবাগ, বিটিসিএল অফিসের সামনে প্রায় ৩০০ ক্ষুধার্ত মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেন। এবং লকডাউন কালীন এই কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন বলে জানান।
কোভিড-১৯ ২য় ধাপ মোকাবিলায় আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি করোনার ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত রাখতে তাই এই করোনা কালীন মহুত্তে কঠোর লকডাউনে ছিন্নমূল, পথশিশু, সুবিধাবঞ্চিত, দিনমজুরসহ অনেকেই খাদ্যভাবে কষ্ট করছে। হয়তো আমরা সবার পাশে দাঁড়াতে পারব না। কিন্তু আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আমাদের রমনা বিভাগের আওতাধীন নিজ ব্যক্তি উদ্যোগে এই লকডাউনের প্রতিটি দিনই সামর্থ্য অনুযায়ী আমি ছিন্নমূল, পথশিশু, সুবিধাবঞ্চিত, দিনমজুর মানুষ গুলোর পাশে থাকতে চাই।
আমি সরেজমিনে গিয়ে,রাস্তায় নির্দিষ্ট দূরত্ব মেনে বৃত্ত তৈরি করে বৃত্তের মধ্যে ক্ষুধার্ত মানুষকে আসার জন্য আহ্বান করা হয়। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্ষুধার্তদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করি আমি ও আমার পুলিশ সদস্য।
এ সময় রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সাজ্জাদুর রহমান, রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ ও রমনা বিভাগের অন্যান্য পুলিশ সদস্য উপস্থিত থেকে এই খাদ্য বিতরণ করেন।
তিনি আরও বলেন,আমাদের দেশ থেকে এখন ও করোনা যায়নি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। অবশ্যই জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হবেন না।
জরুরী প্রয়োজনে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন ।
