হায়দার রশিকঃ আজকে আপনাদের চীন ভ্রমণে নিয়ে যাচ্ছি। এদেশে দেখার আছে অনেক কিছুই। কিন্তু চীনের খাবার, চলাফেরা ও মানুষের জীবনধারা নিয়ে অনেকের মনে অনেক ভ্রান্ত ধারনাও আছে। সৎসাহস ও উৎসাহ নিয়ে ভ্রমণ করলে চীন ভ্রমণ যথেষ্ট আনন্দদায়ক হতে পারে। আর মজার ব্যাপার হলো এখানে ভ্রমণ তেমন একটা ব্যয়বহুল নয় আর একইসাথে প্রচুর জায়গা ঘুরে আসা যায়।
ভিসাঃ
ঢাকার চীন দূতাবাসে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে, Invitation Letter আসতে হবে অবশ্যই চীনের সরকারি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকেই, যা আমাদের চিহ্নিত করা কঠিন কাজ। তাই অন্তত ভিসা সেবা নিতে পর্যটকরা দেশের জনপ্রিয় কিছু Travel Agency-দের দ্বারস্থ হয়। সেক্ষেত্রে প্রথমবারের মতন ২৬৫০ টাকার একটি Single Entry Visa করতে এজেন্সি চার্জ সহ ৮-১০,০০০ টাকা পড়তে পারে। যেই খরচটা বললাম সেইটা আমার চেনাজানা প্রতিষ্ঠানের ধার্য হার; অন্যরা আরও কম বা বেশী ধরতে পারে। প্রথমবারে খরচটা বেশী লাগে কারন এজেন্সিরা নিজস্ব কিছু লিংকে কাজটা করায় এবং চীন থেকে বিশ্বাসযোগ্য Invitation Letter এনে দেয়। এই আমন্ত্রণপত্রটা শুধুমাত্র চীনের বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানই ইস্যু করতে পারে। চীন থেকে যেকোনো কম্পানি আপনাকে এই পত্র পাঠালে সেইটা দূতাবাস গ্রাহ্য করার নিশ্চয়তা নেই। ভিসা পেয়ে গেলে আপনি একা একাই ভ্রমণ করতে পারবেন। যেহেতু তাদের যোগাযোগের অবকাঠামো বিশ্বমানের, তাই অনেক দেশের মতন শখ আহ্লাদ করে ভ্রমণ করার জন্য ট্রাভেল এজেন্সির খুব দরকার নেই। আর একবার ভিসা পেয়ে গেলে দ্বিতীয়বার এজেন্সি মারফত ভিসায় খরচ লাগবে কম। এখন পর্যন্ত ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ আছে।
কোভিড জনিত আপডেটঃ
যেহেতু কোভিড-পরবর্তী সময়ে চীন এখনও পর্যটকদের জন্য খুলেনি তাই সরাসরি এই বিষয়ে কোনও নির্দেশনা নেই। তবে যথাযোগ্য নিয়মকানুন মেনে চীনে কর্মরত বা অভিবাসন প্রাপ্ত বাংলাদেশীরা এবং চীনা নাগরিকরা চীনে ফিরতে পারছেন। দেশটিতে অনেক আগেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফেরত এসেছে।
বিমান-ভ্রমনের ধারণাঃ
ঢাকা থেকে চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় রুট গুয়াংজো শহর। সাধারণত বিরাট এই দেশের কুনমিং এবং গুয়াংজো শহর হয়েই অন্যান্য রুটের ফ্লাইট ধরতে হয়। কুনমিং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আর গুয়াংজো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে। পশ্চিমে China Eastern Airlines সেবা দেয় যা কুনমিং শহরকে মূল হাব ধরে, আর পূর্বে গুয়াংজো শহর ভিত্তিক এয়ারলাইন China Southern। Dhaka-Guangzhou-Dhaka ফিরতি টিকেট গড়ে ৪০,০০০ টাকার কাছাকাছি পড়ে আর অন্য শহর যোগ করলে খরচ আরেকটু বেশী পড়বে। China Eastern Airlines এর খরচ কিছুটা কম, কিন্তু সেবার মানও আমার নজরে কম মনে হয়েছে। এই রুটের সবচেয়ে সস্তা টিকেটের বিমান US Bangla Airlines। ক্ষেত্রবিশেষে US Bangla Airlines এ ২৮,০০০ টাকায়ও গুয়াংজোর রিটার্ন টিকেট পাওয়া গেছে। তবে এই মুহূর্তে চীনে খুব সীমিত ফ্লাইট চলছে, যাদের ভেতর US Bangla Airlines সপ্তাহে ২ দিন চীনে আসা-যাওয়া করছে। খরচ জানতে তাদের ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।
চীনের অভ্যন্তরে চলাফেরা ও খরচঃ
দেশটিতে উচ্চ ও মধ্যগতির ট্রেন, ফ্লাইট, বাস, ট্যাক্সি চলাচলের ভালো ব্যবস্থা আছে। তবে চীন পৃথিবীতে বিখ্যাত ট্রেন ব্যবস্থার জন্য।High Speed Rail:বুলেট ট্রেনে চড়ে ঘণ্টায় ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার বেগে এক শহর থেকে আরেক শহরে ছুটে চলবেন। দেশটির পূর্বাঞ্চলকে উত্তর দক্ষিণ বরাবর উচ্চগতির এই ট্রেন লাইন ঘিরে রেখেছে। এর ভিতর সাংহাই-বেইজিং রুটটি আপাতত পৃথিবীর দ্রুততম রুট যেখানে ট্রেনের সময়সূচী ভেদে ঘণ্টায় ৩৫০/৪০০ কিলোমিটার বেগে ছুটার কোচ পাবেন। এক্ষেত্রে প্রতি ১০০ কিলোমিটারে ৩৫০-৫০০ বাংলাদেশী টাকায় খরচ গুনতে হবে। দেশটিতে এইরকম উচ্চগতির ট্রেনের ৩৭০০০ কিলোমিটারেরও বেশী সংযোগ, এছাড়াও ঘণ্টায় ১০০-২০০ কিলোমিটার বেগে ছোটার মতন চীনা মানে ধীরগতির ট্রেনতো আছেই।ফ্লাইটঃChina Southern ও China Eastern Airlines এর পাশাপাশি চীনের অভ্যন্তরে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত কম্পানি আছে। Economy Class-এর টিকেটে চীনের অভ্যন্তরে বেশীরভাগ শহরের ভেতর গড়ে ৪০০-১২০০ RMBতে সাধারন সময়ে ভ্রমণ করা সম্ভব। খরচটি দূরত্ব ভেদে ২টি শহরের ভেতর চলাচল হিসাব করে লেখা।বাস ও ট্যাক্সিঃযেকোনো শহরের অভ্যন্তরে চলাচলের জন্য বাস ও ট্যাক্সি ভালো মাধ্যম। বাসে একটি শহরের ভেতর সর্বনিম্ন ২৫-৩০ টাকার খরচ ধরে নিতে পারেন। আমি আন্তজেলা বাসে একবারই চরেছিলাম। জুজি শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার পেরিয়ে হাংজো শহরে যেতে ৩০RMB এর কাছাকাছি পড়েছিল, অর্থাৎ বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০০। মাধ্যবিত্ত মানের বাস ছিল সেটা। ট্যাক্সি ভাড়াটা শহর ভেদে ভিন্ন। ৫ কিলোমিটার পথ, শহরভেদে গড়ে ২০০-৫০০ বাংলাদেশী টাকায় আশা করতে পারেন। তাদের প্রত্যেকটি শহরে ট্যাক্সির প্রাথমিক চার্জের আলাদা মুল্য বেঁধে দেওয়া এবং প্রতি কিলোমিটারে যোগ করা অতিরিক্ত টাকার হারটাও আলাদা। কোথাও হয়তো ৮RMB দিয়ে শুরু করে প্রতি কিলোমিটারে ২-৩RMB করে যোগ হতে থাকে আর কোথাও ১৩-১৪ দিয়ে শুরু হয়ে ৩-৪RMB করে যোগ হতে থাকে। যানজটে বসে থাকলে Waiting Charge আলাদা করে যোগ হয়।মেট্রোঃশুধু চীনের সাংহাই শহরেই বাৎসরিক গড়ে ৪০০ কোটি বার রাইড নেওয়া হয় (কয়বার মানুষ ট্রেনে চড়ছে সেই হিসেবে)। যদিও এই সংখ্যায় চীনের কোনও শহরের মেট্রোই পৃথিবীর প্রথম স্থান প্রাপ্তির খেতাব নেয়নি, কিন্তু আয়তন হিসেবে সাংহাইতে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেট্রোরুট রয়েছে। অন্য শহরগুলির মেট্রো সেবার আওতাও বিরাট। শহরভেদে গড়ে ২-৪RMB করে মেট্রোরেলে চড়ার সর্বনিম্ন খরচ ধরে নিতে পারেন।
খাওয়া-দাওয়াঃ
প্রায় ১৫০ কোটি মানুষের দেশ চীন, যাদের খাওয়া দাওয়া নিয়ে অনেকের অনেক বিভ্রান্তি আছে। বুঝতে হবে যে দেশটিতে ৫৬টি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জাতি রয়েছে। তাদের রীতিরেওয়াজ অনুযায়ী হাজার হাজার পদের খাবার বিদ্যমান। উত্তরের দিকে Noodles খাওয়ার প্রবনতা বেশী, আর দক্ষিণের দিকে ভাত; অনেকে খুব ঝালও খায়। পশ্চিমের দিকে কিছু মুসলিম এলাকা পাবেন, এমনকি খাবারে আফগানিস্তান, পাকিস্তানের প্রভাবও দেখবেন। আর পূর্বদিকে প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক শহরে আন্তর্জাতিক পরিবেশ।মুসলিমরা এখানে সংখ্যালঘু। Xinjiang, Qinhai, Ninxia, Lanzhou, Xinzhou শহরে আঞ্চলিক মুসলিমদের বিচরণ। বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক মুসলিম হওয়াতে তারা এসব বিষয় জানতে আগ্রহী ও হালাল খাবারে আগ্রহী। সেক্ষেত্রে বড় শহরগুলিতে লোকাল রেস্তোরাঁয় ২০-২৫RMB বা ৩০০-৩৫০ বাংলাদেশী টাকায় প্রতি বেলায় হালাল খাবার আশা করতে পারেন। ক্ষেত্রবিশেষে কম বা বেশী; তবে এখানে গুগল ম্যাপে সাহায্য পাবেন কম। তাই আপনাকে নিজে থেকেও এরকম রেস্তোরাঁ একটু খুঁজতে হবে। চাইলে হোটেলের কর্মচারীর থেকেও তথ্যভিত্তিক সহায়তা নিতে পারেন। তারা আশেপাশে হালাল রেস্তোরাঁ সম্পর্কে অবগত থাকলে আপনাকে দিকনির্দেশনা দিয়ে দিবে।গুগল ম্যাপে অনেক সময় শুধু প্রতিষ্ঠিত রেস্তরাই পাবেন, যেগুলো মাঝে মধ্যে ভালোই খরচাসাপেক্ষ। আমি বেশীরভাগ দিনই দুপুর ও রাত্রে McDonald’s এর Fish O Fillet খেয়ে বেঁচে ছিলাম, সকালের নাশতাগুলো ফলমূল ও রুটি জাতীয় পদ বেছে হোটেলে করেছি, আর শেষের ১ দিন মাছভিত্তিক রেস্তোরাঁয় ঢুকে ভাত মাছ খেয়েছি, স্বাদ ভালো। হোটেলের নাশতা কমপ্লিমেনটারি ছিল। কিন্তু সারাদিনের প্রতি বেলার একতরফা ফাস্টফুড খেতে প্রতি বেলায় ১৫-২৫RMB এর মধ্যেই পড়েছিল; অর্থাৎ ২০০-৩৫০ বাংলাদেশী টাকায় বেলাভোজ।
হোটেলে রাত্রিযাপনঃ
রাত্রিযাপনের জন্য চীনকে অনেকটা সস্তাই বলা যায়। আমি ২ ও ৩ তারকা মানের হোটেলে ছিলাম। গড়ে রাতপ্রতি সর্বনিম্ন ২৫ ডলার ও সর্বোচ্চ ৬০ ডলার পড়েছিলো। এই হিসেবে বলা যায়, চীনে থাকার খরচ ব্যাংকক কুয়ালালামপুর শহরের তুলনায় ১০-২০% বেশী; বা অনেক ক্ষেত্রে কাছাকাছি।
ভাষাঃ
চীন ভ্রমণে সবচেয়ে বড় সমস্যা ভাষা। এ বিষয়ে আপনাকে একটু আত্মবিশ্বাসী, স্বাবলম্বী ও প্রত্তুতপন্নমতি হতে হবে। এটার কারন হলো আপনাকে ক্ষেত্রবিশেষে চীনাদের সাথে অভিনয়, ইশারা বা সংকেতের সাহায্য নিতে হতে পারে। অনেক জায়গায় ভ্রমনের জন্য ভালো ট্যুরগাইড পাওয়া যায়। আমি বেইজিংএ Forbidden City ও মহাপ্রাচির ভ্রমণ করেছি অভ্যন্তরীণ ট্যুর গাইডের দলে। সেখানে গাইডকে সুন্দর ইংরেজিতে কথা বলতে শুনেছি। যেই ৫টি শহরে থেকেছি, এর ভিতর শুধু সাংহাই আর বেইজিংএ হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্ক কর্মীকে ইংরেজিতে কথা বলতে শুনেছি। এছাড়া বাকি প্রতি ক্ষেত্রেই Translator App এর সাহায্য নিয়েছি। App Store বা Play Store-এ অনেক অনুবাদক অ্যাপ্লিকেশন পাবেন। চীনে যাওয়ার আগেই এগুলোর ১-২টি ডাউনলোড করে নিন, যাতে করে চীনে পৌঁছানর পরপরই মানুষের সাথে যোগাযোগ শুরু করতে পারেন; ইন্টারনেট থাকুক আর না থাকুক! এইসব অ্যাপে আপনি ইংরেজিতে মনের ভাব লিখলে চীনা ভাষায় যেই লেখা উঠবে তা চীনের মানুষকে দেখালে তারা সেটা বুঝতে পারবে ও আপনাকে তার মতবাদ জানাতে পারবে। ক্ষেত্রবিশেষে তারাও অনুবাদক অ্যাপে ইংরেজিতে অনুবাদ করে লেখাটা দেখিয়ে দেয়। এমনটা মনে করার কারন নেই পৃথিবীতে শুধু চীনেই এই সমস্যা। আপনি পৃথিবীর অনেক জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক শহরে গিয়েও এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।
ইন্টারনেটঃ
এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও চীনের ইন্টারনেট চমৎকার, এদেশে আমাদের পছন্দের অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ। যেহেতু গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব প্রতিনিয়ত মানুষের ব্যাক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে এবং মানুষের দৈনন্দিক চলাফেরায় প্রভাব বিস্তার করতে থাকে; চীন অনেক বছর আগেই তাদের দেশে এই অ্যাপগুলো নিষিদ্ধ করেছে। তারা তাদের নিজস্ব তথ্যপ্রজুক্তি ও অ্যাপ ব্যবহার করতে আগ্রহী। তবে বিদেশীরা প্রতিনিয়তই VPN দিয়ে তাদের পছন্দের অ্যাপগুলো চালাতে থাকে। বিনামুল্যে নামানো VPN এর কোটা ও কার্যকারিতা কম থাকে। যারা প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট নিজের পছন্দ মতন চালাতে চাবেন, তাদের জন্য মাসিক চাঁদা পরিশোধ করে নেওয়া VPNগুলোই ভালো হবে।বর্তমানে ২০ ডলারে মোটামটি ভালো মানের 4G সিমকার্ড পাবেন।
দর্শনীয় স্থানগুলোঃ
প্রাকৃতিকভাবে পরিপূর্ণ এই দেশে দেখার কোনও শেষ নেই। Yangshuo, Guilin, Tianmen, Xinjiang, Yadin, Hangzhou, তিব্বত, অভ্যন্তরীণ Mongolia, Zhangiajie, Jiuizhaigou, Kunming সহ প্রচুর অঞ্চল মাসব্যাপী ভ্রমণ করেও শেষ করা কঠিন। আর এর সাথে অনেক চকচকে শহর, চীনের মহাপ্রাচির, যা আধুনিক সপ্তাশ্চর্যের একটি; আর ঐতিহ্যবাহী প্রচুর এলাকা যোগ হয়েছে। তবে একে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছে প্রযুক্তি ও পাইকারি কেনাকাটার ব্যবস্থা। Guangzhou শহরে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, Shenzhen-এ প্রজুক্তিভিত্তিক কেনাকাটা, Hong Kong ব্যবসা, বন্দর নগরী ও বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল, Shanghai পৃথিবীর একটি আর্থিক কেন্দ্র অন্যদিকে Beijing চীনের রাজধানী, ইতিহাস ও ক্ষমতার ধারক- বাহক। এগুলো বাদেও চীনে আরও অনেক দর্শনীয় শহর ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকা রয়েছে।যাত্রা সহজ করতে একটি 3rd party অ্যাপের সেবা চালু হয়েছে, যার কথা চীনের অভ্যন্তরে থাকা প্রবাসীদের মুখে শোনা যাচ্ছে। এর নাম Trip.com, যা দিয়ে চীনের অভ্যন্তরে হোটেলসহ, বাস, ট্রেন, ফ্লাইট টিকেট কাটতে পারবেন। তবে এর বিশেষ দিক হচ্ছে এর একটা বিনামুল্যে ইন্টারনেট কলিং সেবা আছে, যেখানে কল দিলে ইংরেজি ভাষায় আপনাকে গাইড দেওয়া হবে। এছাড়াও পর্যটকদের সেবা দিতে বড় শহরগুলিতে অনেকগুলো পর্যটন বুথ রাখা আছে। সেখানে থাকা কর্মীরা যেমন ইংরেজিতে আপনাকে সহায়তা দিতে পারবে, একইসাথে অনেক সাহায্যকারী ব্রোশিওরও পাবেন।আপনাদের চীন ভ্রমণ শুভ হোক।
[লেখকের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত। }
