আলিফ হোসেন,তানোরঃ আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজন একজন মানবিক নেতৃত্বের বলিষ্ঠ উদাহরণ। এখানো তিনি তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোনো পদে অধিষ্ঠিত হননি। স্থানীয় সাংসদের আস্থা ও বিশস্ত একজন কর্মী হিসেবে দলকে সংগঠিত করার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। অথচ সাংসদের সহযোগীতায় ইতমধ্যে তিনি নেতাকর্মীদের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগসহ যে কোনো সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী যে কোনো সমস্যায় পড়ে তাকে স্মরণ করা মাত্র তাদের পাশে সুজন। এমপির পরের সিংহভাগ নেতৃত্ব রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সুজন সেখান থেকে নেমে এসে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়েছে। জানা গেছে, এলাকার মসজিদ-মন্দির-গীর্জা, ঈদগাহ্-কবরস্থানের উন্নয়নে আর্থিক অনুদান, কারো মিয়ের বিয়ে সেখানে সুজন,কেউ শহরে গিয়ে বিপদে পড়েছে বা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে সেখানে সুজন, কেউ মামলায় পড়েছে সেখানে সুজন, রমজান মাস জুড়ে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ, ঈদ-পুজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে হতদরিদ্রদের মাঝে কাপড়-খাবার বিতরণ, শীতার্তদের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ, শিশুসদনের শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোষাক ও খাবার বিতরণ, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলা-ধুলার সামগ্রী বিতরণসহ সমাজের ইতিবাচক প্রতিটি কাজে সুজনের সরব অবস্থান।
এছাড়াও বিগত ২০২০ সালে দেশে প্রথম হানা দেয় মহামারী করোনা ভাইরাস ,কিছুদিন পরেই সরকার সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেন। এতে গৃহবন্দী হয়ে পড়ে উপজেলার খেটে খাওয়া মানুষ দিনমুজুর, শ্রমিক, রিকশা চালক, ভ্যান চালক,রাজমিস্ত্রীসহ নিম্ন আয়ের মানুষ। সে সময় নিজের জীবনের নিরপত্তার কথা না ভেবে তানোর পৌরসভাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে নিজস্ব তহবিল থেকে সাংসদের পক্ষ থেকে আবুল বাসার সুজন এসব অসহায় মানুষের মুখে দু’মোঠো খাবার তুলে দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষনা দিয়েছেন (বাড়িতে খাবার না থাকলে আমাকে কল দিন) আমি আপনাদেরই সন্তান আপনাদের ভাই আমার কাছে কিসের লজ্জা ! আমার লোক গোপনে আপনার বাসাতে খাবার দিয়ে আসবে। আমার যা আছে তাই আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে খাবো।
সর্ব প্রথম তাকেই এই ঘোষণা দিতে দেখেছি, তিনি একমাত্র তরুণ নেতা যিনি দলের কোন পদে না থেকেও , এমপি-মন্ত্রী, মেয়র বা চেয়ারম্যান না হয়ে সর্ব প্রথম এই ঘোষনা দিয়েছিলেন, আমি দেখেছি পবিত্র রমজান মাসে দূর-দুরান্ত থেকে তানোর সদরে আশা মানুষদের মাঝে ইফতার দিতে, দেখেছি করোনা মহামারীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদ উপহার দিতে, দেখেছি দলের নিবেদিতপ্রাণ অসচ্ছল নেতাকর্মীর বাড়িতে খাবারসহ চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে। দেখেছি অনেকে শহরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে গাড়ি বা হোটেল ভাড়ার টাকা থাকে না সুজন ভাই সেটা ম্যানেজ করে দিয়েছেন। চিকিৎসা নিতে এসে ওষুধ কিনার টাকা থাকে না সেই ওষুধ তাকে কিনে দিতে দেখেছি, তানোরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শহরে চিকিৎসা নিতে আশা মানুষদের সু চিকিৎসার ব্যাবস্থা করে দিতে দেখেছি সুজন ভাইকে। অথচ এগুলোর বিনময়ে কখনো কারো কাছে থেকে টাকা তো দূরের কথা এক কাপ চা খেতেও তাকে দেখিনি কখানো।
একজন সমাজসেবক, মানবিক সৎ তরুণ নেতা হিসাবে তিনি সর্বদাই জনগনের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে তার একজন কর্মী হিসেবে সুজন এসব করে চলেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগ ও এমপির হাতকে শক্তিশালী করতে সুজন যখন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ঠিক তখানোই একটা শক্তিশালী মতলববাজ চক্র সুজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও পদে পদে বাধা প্রদানের চেষ্টা করছে। কিন্ত্ত কেনো সুজন তো নিজের জন্য নয় সব সময় এমপির দিকনির্দেশনায় এমপির হাত শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। তাহলে কেনো সুজনকে তারা সহ্য করতে পারছে না, সুজন তো কিছু করছে, তবে যারা তার বিরোধীতা করছে তারা কি করতে পেরেছে বা করছে, তারা যদি মানুষের জন্য কিছু করেই থাকে তাহলে সুজনকে তাদের এতো ভয় কেনো ?
