আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (এএসআই) ভারতের মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড় রিজার্ভ ফরেস্টে বড় ধরনের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন আবিষ্কার করেছে।
এএসআই’র এই অনুসন্ধানে আবিস্কৃত কালাচুরি যুগের (নবম খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১১ খ্রিষ্টাব্দ) ২৬টি প্রাচীন মন্দির/পুরাকীর্তি, ২৬টি গুহা (দ্বিতীয় খ্রিষ্টাব্দ থেকে পঞ্চম খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত- যা বৌদ্ধ নিদর্শনের বৈশিষ্ট্য বহন করছে), ২টি মঠ, ২টি বৌদ্ধস্তুপ, ২৪টি ব্রাহ্মী খোদাই লিপি (দ্বিতীয় খ্রিষ্টাব্দ থেকে পঞ্চম খ্রিষ্টাব্দ), ৪৬টি খোদাই ভাস্কর্য, ২০টি বিক্ষিপ্ত পুরাকীর্তি ও ১৯টি জলাধার (২য় খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৫ খ্রিষ্টাব্দ) নথিভুক্ত করা হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৪৬টি খোদাই ভাস্কর্যের মধ্যে একটি ভারাহ মূর্তিও রয়েছে, যেটি বৃহৎ ভাস্কর্যগুলোর অন্যতম। যে পুরাকীর্তিগুলো আবিষ্কৃত হয়েছে সেগুলো রাজা শ্রী ভীমসেন, মহারাজা পোথাসিরি, মহারাজা ভট্টদেবের শাসন আমলের। বিবৃতিতে বলা হয়, কাউশামি, মাথুরা, পাভাতা (পার্ভাতা), ভেজাভারাদা ও সাপাতাসাইরিকার শিলালিপির পাঠোদ্ধার করা হয়।
এএসআই এর একটি দল বান্ধবগড় টাইগার রিজার্ভ এলাকার প্রায় ১৭০ বর্গ কিমি. এলাকায় অঞ্চলটিতে কয়েক মাসব্যাপী অনুসন্ধান চালায়- যেখানে ১৯৩৮ সালের পর, এই প্রথমবার অনুসন্ধান চালানো হলো।
এএসআই’র জাবালপুর সার্কেল এই অনুসন্ধান পরিচালনা করেছে।
